সাধনপ্রসূত দিব্যদৃষ্টি ব্রাহ্মণীকে ঠাকুরের অবস্থা যথাযথরূপে বুঝাইয়াছিল কেবলমাত্র তর্কযুক্তিসহায়ে ব্রাহ্মণী ঠাকুরের সম্বন্ধে পূর্বোক্ত সিদ্ধান্ত স্থির করেন নাই। পাঠকের স্মরণ থাকিবে, ঠাকুরের সহিত …
Blog
দশম অধ্যায়: ভৈরবী–ব্রাহ্মণী–সমাগম
রাণী রাসমণির সাংঘাতিক পীড়া সন ১২৬৭ সালের শেষভাগে, ইংরাজী ১৮৬১ খ্রীষ্টাব্দে কামারপুকুর হইতে দক্ষিণেশ্বরে ফিরিবার পরে ঠাকুরের জীবনে দুইটি ঘটনা সমুপস্থিত হয়। ঘটনা দুইটি তাঁহার জীবনে বিশেষ পরিবর্তন …
নবম অধ্যায়: বিবাহ ও পুনরাগমন
ঠাকুরের কামারপুকুরে আগমন এদিকে ঠাকুর পূজাকার্য ছাড়িয়া দিয়াছেন, এই সংবাদ কামারপুকুরে তাঁহার মাতা ও ভ্রাতার কর্ণে পৌঁছিয়া তাঁহাদিগকে বিশেষ চিন্তান্বিত করিয়া তুলিল। রামকুমারের মৃত্যুর পর দুই বৎসর …
অষ্টম অধ্যায়: প্রথম চারি বৎসরের শেষ কথা
সাধনকালে সময়নিরূপণ ঠাকুরের সাধনকালের আলোচনা করিতে হইলে তিনি আমাদিগকে ঐ কাল সম্বন্ধে নিজমুখে যাহা বলিয়াছেন, তাহা সর্বাগ্রে স্মরণ করিতে হইবে। তাহা হইলেই ঐ কালের ঘটনাবলীর যথাযথ সময় নির্দেশ করা …
Continue Reading about অষ্টম অধ্যায়: প্রথম চারি বৎসরের শেষ কথা →
সপ্তম অধ্যায়: সাধনা ও দিব্যোন্মত্ততা
প্রথম দর্শনের পরের অবস্থা শ্রীশ্রীজগদম্বার প্রথম দর্শনলাভের আনন্দে ঠাকুর কয়েক দিনের জন্য একেবারে কাজের বাহির হইয়া পড়িলেন। পূজাদি মন্দিরের কার্যসকল নিয়মিতভাবে সম্পন্ন করা তাঁহার পক্ষে অসম্ভব …
Continue Reading about সপ্তম অধ্যায়: সাধনা ও দিব্যোন্মত্ততা →
ষষ্ঠ অধ্যায়: ব্যাকুলতা ও প্রথম দর্শন
ঠাকুরের এই কালের আচরণ অতি অল্প বয়সেই ঠাকুরের পিতার মৃত্যু হয়। সুতরাং বাল্যকাল হইতে তিনি জননী চন্দ্রমণি ও অগ্রজ রামকুমারের স্নেহেই পালিত হইয়াছিলেন। ঠাকুরের অপেক্ষা রামকুমার একত্রিশ বৎসর বড় …
Continue Reading about ষষ্ঠ অধ্যায়: ব্যাকুলতা ও প্রথম দর্শন →