বেদান্তে পরমং গুহ্যং পুরাকল্পে প্রচোদিতম্ ।
নাপ্রশান্তায় দাতব্যং নাপুত্রায়াশিষ্যায় বা পুনঃ ॥ ২২ ॥
ব্যাখ্যা—প্রাক্কল্পেও এই রহস্যময় জ্ঞান বেদান্তে-উপনিষদে বর্ণিত হয়েছে । এতে বোঝা যায় জ্ঞানের পরম্পরা কল্পকল্পান্তর থেকেই চলে আসছে । এই নিগূঢ় পরমাত্মতত্ত্ব উপদেশের পাত্রাপাত্র বিচার প্রসঙ্গে বলছেন—‘যার অন্তঃকরণ বিষয়-বাসনা বিরহিত হয়নি, যে অপ্রশান্ত চিত্ত, এমন মানবকে পূর্বোক্ত রহস্য উপদেশ দেওয়া আদৌ উচিত নয় । শুধু তাই নয়, যে আত্মজ নয় অথবা শিষ্য নয় তাকেও ওই তত্ত্বোপদেশ দেওয়া অনুচিত । অর্থাৎ যে প্রশান্তচিত্ত, তাকে উপদেশ দেওয়া যায় অথবা আত্মজ বা শিষ্য হলে সেও অধিকারী কেননা তাদের প্রতি গুরুর শাসন করার ক্ষমতা বিদ্যমান । তাদের সুপাত্রে পরিণত করার দায়িত্ব পিতা বা গুরুর ওপর বর্তায় । সুতরাং প্রথম থেকেই কেউ অধিকারী হবে—এমন কোনো নিয়ম নেই’॥ ২২ ॥