একো হি রুদ্রো ন দ্বিতীয়ায় তস্থুর্য ইমাঁল্লোকানীশত ঈশনীভিঃ ।
প্রত্যঙ্ জনাংস্তিষ্ঠতি সঞ্চুকোচান্তকালে সংসৃজ্য বিশ্বা ভুবনানি গোপাঃ ॥ ২ ॥
ব্যাখ্যা—যিনি নিজ স্বরূপভূত বিভিন্ন শাসনশক্তির মাধ্যমে এই সমস্ত লোক শাসন করেন—নিয়মানুসারে সকল লোকাদি সঞ্চালন করেন, সেই রুদ্ররূপ পরমেশ্বর অদ্বিতীয় । অর্থাৎ এই জগৎ নিয়ন্ত্রণে অনেক শক্তি বিদ্যমান হলেও সেই সমস্ত শক্তি একমাত্র পরমেশ্বরেরই এবং তাঁর থেকে অভিন্ন । এইজন্য জ্ঞানিগণ জগৎকারণ নিশ্চয়কালে কোনো অন্য তত্ত্বের আশ্রয় গ্রহণ করেননি । প্রত্যেকেই সমস্বরে স্বীকার করেছেন যে, একমাত্র পরব্রহ্মই জগতের কারণ । তিনিই অন্তর্যামী হয়ে সমস্ত জীব মধ্যে বিরাজমান । সমস্ত লোক সৃষ্টি করে তার প্রতিপালন তিনিই করেন এবং অন্তিমে প্রলয়কালে তিনি সমস্ত কিছু নিজের মধ্যে লীন করে নেন অর্থাৎ সমস্তই ওঁতে অন্তর্ভুক্ত হয় । তখন ভিন্ন ভিন্ন রূপে কারো কোনো অভিব্যক্তি পরিদৃষ্ট হয় না॥ ২ ॥