প্রাণান্ প্রপীড্যেহ সংযুক্তচেষ্টঃ ক্ষীণে প্রাণে নাসিকয়োচ্ছ্বসীত ।
দুষ্টাশ্বযুক্তমিব বাহমেনং বিদ্বান্ মনো ধারয়েতাপ্রমত্তঃ ॥ ৯ ॥
ব্যাখ্যা—যোগ সাধনার জন্য বুদ্ধিমান সাধককে আহার-বিহারাদি সকল চেষ্টা যথাযথ করতে হবে । তা যেন ধ্যানযোগের উপযুক্ত হয় (গীতা ৬ ।১৭) । যোগশাস্ত্রীয় বিধি অনুসারে প্রাণায়ামের দ্বারা যখন প্রাণ অত্যন্ত সূক্ষ্ম হয়ে যায়, তখন নাসিকা দ্বারা তাকে বহির্ভাগে নিষ্কাষিত করা প্রয়োজন ।(১) এরপর যেরূপ দুষ্টাশ্বযুক্ত রথকে উত্তম সারথি অত্যন্ত সাবধানতার সঙ্গে গন্তব্যস্থানে নিয়ে যায়, সেইরূপ অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে সাধকের মনকে বশে রাখা উচিত, যাতে যোগসাধনায় কোনো প্রকার বিঘ্ন না আসে এবং তিনি পরমাত্মপ্রাপ্তিরূপ লক্ষ্যে যেন উপনীত হতে পারেন(২)॥ ৯ ॥
(১)অষ্টম এবং নবম মন্ত্রে ধ্যানের উপযোগী উপবেশনের এবং সাধনের যে বিধি বলা হয়েছে তার অত্যন্ত সুন্দর সুষ্পষ্ট বর্ণনা ভগবান গীতায় ষষ্ঠ অধ্যায়ের ১১ থেকে ১৭ শ্লোকে করেছেন ।
(২)কঠোপনিষদে (১ ।৩ ।২ থেকে ৮ পর্যন্ত) রথের রূপকের বিস্তৃত বর্ণনা রয়েছে ।
সম্বন্ধ—পরব্রহ্ম পরমাত্মায় মনোনিবেশের জন্য কীরূপ স্থানে কীরূপ ভূমিতে উপবেশন করে সাধনা করা উচিত, এই জিজ্ঞাসায় বলছেন—