তিলেষু তৈলং দধনীব সর্পিরাপঃ স্রোতঃস্বরণীষু চাগ্নিঃ ।
এবমাত্মাঽঽত্মনি গৃহ্যতেঽসৌ সত্যেনৈনং তপসা যোঽনুপশ্যতি ॥ ১৫ ॥
ব্যাখ্যা—যেরূপ তিলে তেল, দধিতে ঘৃত, বহির্ভাগে শুষ্ক নদীর অন্তঃস্রোতে জল তথা অরণিতে অগ্নি গুপ্তরূপে বিদ্যমান, সেইরূপ পরমাত্মা আমাদের হৃদয়কন্দরে গুপ্তরূপে বিরাজমান । যেরূপ নিজ নিজ স্থানে গুপ্তরূপে অবস্থিত তৈলাদি বিভিন্ন উপায় অবলম্বনে উপলব্ধ হয়, সেইরূপ যে সাধক বিষয় থেকে নিরাসক্ত হয়ে সদাচার, সত্যভাষণ তথা সংযমরূপ তপস্যা দ্বারা সাধনা করেন, নিরন্তর তাঁর ধ্যান করেন, তিনি ওই সমস্ত সাধনার দ্বারা পরব্রহ্ম পরমাত্মাকে লাভ করেন॥ ১৫ ॥
সর্বব্যাপিনমাত্মানং ক্ষীরে সর্পিরিবার্পিতম্ ।
আত্মবিদ্যাতপোমূলং তদ্ ব্রহ্মোপনিষৎ পরম্ ॥
তদ্ব্রহ্মোপনিষৎ পরম্ ॥ ১৬ ॥
ব্যাখ্যা—যাকে লাভ করার মূলভূত সাধন হল আত্মবিদ্যা ও তপ এবং দুধে ঘৃতের ন্যায় যিনি সর্বত্র পরিপূর্ণ—সেই সর্বান্তর্যামী পরমাত্মাকে পূর্বোক্ত সাধক লাভ করেন । এটিই হল উপনিষদে বর্ণিত পরম তত্ত্ব—ব্রহ্ম । এটিই হল উপনিষদে বর্ণিত পরম তত্ত্ব—ব্রহ্ম । অন্তিম বাক্যের পুনরুক্তি অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘোষণা করে॥ ১৬ ॥