যোঽস্তি কল্পিতসংবৃত্যা পরমার্থেন নাস্ত্যসৌ।
পরতন্ত্রাভিসংবৃত্যা স্যান্নাস্তি পরমার্থতঃ॥৭৩
অন্বয়: যঃ কল্পিতসংবৃত্যা অস্তি (যার অস্তিত্ব মনে কিন্তু [তা হলেও] ব্যবহারিক জীবনে কার্যকরী); অসৌ পরমার্থেন ন অস্তি (বাস্তব সত্তা নেই); পর-তন্ত্রাভি-সংবৃত্যা স্যাৎ (যদি অন্য কোন দার্শনিক গোষ্ঠী কোন কিছুকে সত্য বলে বর্ণনা করেন); পরমার্থতঃ ন অস্তি (পারমার্থিক দৃষ্টিতে তার অস্তিত্ব নেই)।
সরলার্থ: ব্যবহারিক জীবনে যেসব বস্তু কাজে লাগে সেগুলিকে সত্য বলে মনে হতে পারে। কিন্তু সেগুলি যদি মনের সৃষ্টি হয় তবে তাদের কোন বাস্তব সত্তা নেই। একইভাবে, অন্য মতে কোন জিনিসকে সত্য বলা হতে পারে। কিন্তু তার দ্বারাই সেই জিনিসের অস্তিত্ব প্রমাণ হয় না।
ব্যাখ্যা: মনকে (অর্থাৎ আত্মাকে) নিঃসঙ্গ বলা হয়। বাইরের জগৎ নেই বলেই কি একথা বলা হয়ে থাকে? যদি বাহ্যজগৎকে সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করা যায় তাহলে শাস্ত্র, আচার্য এঁরা কোথা থেকে এলেন? আত্মার কথাই বা কিভাবে তাঁরা শেখাবেন? অদ্বৈতবাদীদের উত্তর হল: এইসব ব্যবহারিকভাবে সত্য। আত্মজ্ঞান হলে জানা যায় এসবের কোন বাস্তব সত্তা নেই।