ইহ চেদশকদ্ বোদ্ধুং প্রাক্ শরীরস্য বিস্রসঃ ।
ততঃ সর্গেষু লোকেষু শরীরত্বায় কল্পতে ॥ ৪ ॥
ব্যাখ্যা—যদি এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টিকর্তা সর্বশক্তিমান পরমেশ্বরকে কোনো সাধক মৃত্যুর (মনুষ্য-শরীর ত্যাগের) পূর্বেই জেনে নিতে পারেন, অর্থাৎ যতদিন এই শরীরে সাধন-ভজন-স্মরণ আদি সাধনা করবার শক্তি সামর্থ্য থাকে আর যতদিন না এই দুর্লভ শরীরের নাশ হয় ততদিন যদি মনঃসংযম করে পরমাত্মতত্ত্বকে জেনে নিতে পারেন, তবে তো মানব-জন্ম সার্থক অর্থাৎ অনাদিকাল থেকে জন্ম-মৃত্যুর চক্রে আবর্তিত হওয়ার ফলে বারংবার এই সংসারের যে দুঃখ কষ্ট ভোগ, তার হাত থেকে নিষ্কৃতি লাভ হয় । আর তা না হলে তাকে অনেক কল্পকাল ধরে এই সংসারে বিভিন্ন যোনিতে ঘুরে মরতে হয় । অতএব মৃত্যুর পূর্বেই মানুষের সেই পরমাত্মার অনুভব অবশ্যই করে নেওয়া উচিত ॥ ৪ ॥