যোনিমন্যে প্রপদ্যন্তে শরীরত্বায় দেহিনঃ ।
স্থাণুমন্যেঽনুসংযন্তি যথাকর্ম যথাশ্রুতম্ ॥ ৭ ॥
ব্যাখ্যা—যমরাজ বলছেন যে, আপন আপন শুভাশুভ কর্ম অনুসারে, আর শাস্ত্র, গুরু, সঙ্গ, শিক্ষা, জীবিকা ইত্যাদি দ্বারা ভাবিত হয়ে মৃত্যুকালীন বাসনা অনুসারে সেই সব জীবাত্মা অন্য শরীর ধারণ করার জন্য মাতৃগর্ভে প্রবেশ করে । এদের মধ্যে যার পাপ-পুণ্য সমান হয় তারা মানুষের আর যাদের পুণ্য কম ও পাপ বেশি তারা পশু, পাখি তথা নিম্নশ্রেণীর শরীর ধারণ করে জন্ম নেয় । আর কতক জীবাত্মা যাদের পাপ অত্যধিক, তারা স্থাবরত্ব লাভ করে অর্থাৎ বৃক্ষ, লতা, ঘাস, পাহাড়, পর্বত প্রভৃতি জড়-শরীর লাভ করে ॥ ৭ ॥
সম্বন্ধ—যমরাজ জীবাত্মার গতি আর পরমাত্মার স্বরূপ—এই দুটি জানাতে অঙ্গীকার করেছিলেন । মৃত্যুর পর জীবাত্মার কী গতি হয় তা জানিয়ে এবার দ্বিতীয় অর্থাৎ পরমাত্মার স্বরূপের বর্ণনা করছেন—