ইন্দ্রিয়াণি হয়ানাহুর্বিষয়া ্ঁ স্তেষু গোচরান্ ।
আত্মেন্দ্রিয়মনোযুক্তং ভোক্তেত্যাহুর্মনীষিণন্ ॥ ৪ ॥
ব্যাখ্যা—জীবাত্মা যদি এরূপ আচরণপরায়ণ হত তাহলে সে শীঘ্রই পরমাত্মা পর্যন্ত পৌঁছাতে পারত কিন্তু সে মোহের বশবর্তী হয়ে পরমানন্দময় ভগবৎ প্রাপ্তি-রূপ মহান লক্ষ্যের কথা ভুলে গেছে । সে দিকে তার দৃষ্টিই নেই । সে বুদ্ধিকে সৎ প্রেরণা দেওয়া থেকে বিরত হয়েছে, ফলে বুদ্ধিরূপী সারথি ভিন্নমুখী হয়ে পড়েছে । সে মনরূপী লাগাম ইন্দ্রিয়রূপী দুষ্ট ঘোড়ার ইচ্ছার উপর ছেড়ে দিয়েছে । তার পরিণামস্বরূপ জীবাত্মা বিষয়প্রবণ ইন্দ্রিয়ের হাতের পুতুল হয়ে পড়েছে আর সর্বদা সংসার চক্রে নিক্ষেপকারী লৌকিক শব্দ-স্পর্শাদি বিষয়ে হাবুডুবু খাচ্ছে । অর্থাৎ সে যে শরীর-মন-ইন্দ্রিয়াদি দিয়ে ভগবানকে লাভ করতে সক্ষম হত বরং সেইগুলির সঙ্গে একাত্ম হয়ে বিষয় ভোগে লিপ্ত হয়েছে ॥ ৪ ॥
সম্বন্ধ—পরমাত্মার দিকে না গিয়ে জীবাত্মা ইন্দ্রিয়গুলির বিষয় ভোগে কেন লিপ্ত হয়েছে—যমরাজ এখন তার কারণ জানাচ্ছেন—