স যদি পিতরং বা মাতরং বা ভ্রাতরং বা স্বসারং বাচার্যং বা ব্ৰাহ্মণং বা কিঞ্চিদ্ ভূশমিব প্রত্যাহ ধিক্ ত্বাত্ত্বিত্যেবৈনমাহুঃ পিতৃহা বৈ ত্বমসি মাতৃহা বৈ ত্বমসি ভ্রাতৃহা বৈ ত্বমসি স্বস্হা বৈ ত্বমস্যাচার্যহা বৈ ত্বমসি ব্রাহ্মণহা বৈ ত্বমসীতি ॥ ২
অন্বয় : সঃ (কেহ) যদি পিতরম্ বা (পিতাকে), মাতরম্ বা (বা মাতাকে), ভ্রাতরম্ বা (বা ভ্রাতাকে), স্বসারম্ বা (বা স্বসাকে), আচার্যম্ বা (বা আচার্যকে) ব্রাহ্মণম্ (বা ব্রাহ্মণকে) কিম + চিৎ (কিছু) ভূশম্ ইব (যেন রুক্ষভাবে; শঙ্কর বলেন—এখানে ‘তুমি’ কিংবা এই প্রকার কোন অনুচিত বাক্যপ্রয়োগের কথা বলা হইয়াছে) প্ৰতি-আহ (প্রত্যুত্তর করে), ধিক্ ত্বা (তোমাকে ধিক) অস্তু (হউক) ইতি বা এনম্ (ইহাকে) আহুঃ (বলিয়া থাকে) পিতৃহা (পিতৃহন্তা) বৈ ত্বম্ (তুমি) অসি (হও), মাতৃহা (মাতৃহন্তা) বৈ ত্বম্ অসি, ভ্রাত্হা (ভ্রাতৃহন্তা) বৈ ত্বম্ অসি, স্বস্হা (ভগিনীহন্তা) বৈ ত্বম্ অসি, আচার্যহা (আচার্যহন্তা) বৈ ত্বম্ অসি, ব্রাহ্মণহা (ব্রাহ্মণহন্তা) বৈ ত্বম্ অসি ইতি।
সরলার্থ : যদি কেহ পিতা, মাতা, ভ্রাতা, ভগ্নী, আচার্য বা ব্রাহ্মণকে সম্মান না দেখাইয়া রুক্ষভাবে উত্তর দেয়, তবে লোকে তাহাকে বলে— ‘তোমাকে ধিক্, তুমি পিতৃহন্তা, তুমি মাতৃহন্তা, তুমি ভ্রাতৃহন্তা, তুমি ভগিনীহন্তা, তুমি আচার্যহন্তা, তুমি ব্ৰাহ্মণহন্তা।’