যথা সোম্য পুরুষং গন্ধারেভ্যোঽভিনদ্ধাক্ষমানীয় তং ততোহতিজনে বিসৃজেৎ স যথা তত্র প্রাবোদ বাধরাঙ্ বা প্রত্য বা প্রঋায়ী- তাভিনদ্ধাক্ষ আনীতোঽভিনদ্ধাক্ষো বিসৃষ্টঃ ॥ ১
অন্বয় : যথা (যেমন) সোম্য, পুরুষম্ (কোন পুরুষকে) গন্ধারেভ্যঃ (গন্ধার হইতে অভিনদ্ধ + অক্ষম্— (যাহার চক্ষু বাঁধা হইয়াছে) আনীয় (আনিয়া) তম্ (তাহাকে) ততঃ (অনন্তর; কিংবা তাহা অপেক্ষাও) অতিজনে (বিসৃজেৎ পরিত্যাগ করে), সঃ যথা (যেমন) তত্র (সেইস্থানে) প্রাঙ্ বা (পূর্বাভিমুখ ‘হইয়া’) উদঙ্ বা (উত্তরাভিমুখ ‘হইয়া’) অধরাঙ্ বা (দক্ষিণাভিমুখ ‘হইয়া’) প্রত্যঙ্ বা (পশ্চিমাভিমুখ ‘হইয়া’) প্রঋায়ীত; (বর্তমান প্রয়োগ, প্রধমেৎ—চীৎকার করে), অভিনদ্ধাক্ষঃ আনীতঃ (চক্ষু বাঁধিয়া আমাকে আনা হইয়াছে) অভিনদ্ধাক্ষঃ বিসৃষ্টঃ (পরিত্যক্ত ‘হইয়াছি’)।
সরলার্থ : হে সৌম্য, যেমন কোন পুরুষের চোখ বাঁধিয়া তাহাকে গন্ধার দেশ হইতে কোন নির্জন স্থানে আনিয়া ছাড়িয়া দিলে সে যেরূপ (দিগ্ভ্রান্ত হইয়া) কখনও পূর্ব, কখনও দক্ষিণ, কখনও পশ্চিমমুখী হইয়া চীৎকার করিয়া বলিতে থাকে’চোখ বাঁধিয়া আমাকে এখানে আনিয়াছে, চোখ বাঁধিয়া আমাকে এখানে ফেলিয়া দিয়াছে।’