চক্ষুর্বোচ্চক্ৰাম তৎ সংবৎসরং প্রোষ্য পর্যেত্যোবাচ কথমশকতর্তে মজ্জীবিতুমিতি যথান্ধা অপশ্যন্তঃ প্রাণন্তঃ প্রাণেন বদন্তো বাচা শৃণ্বন্তঃ শ্রোত্রেণ ধ্যায়ন্তো মনসৈবসিতি প্রবিবেশ হ চক্ষুঃ ॥ ৯
অন্বয় : চক্ষুঃ হ উচ্চচক্রাম। তৎ (সে) সম্বৎসরম্ প্রোষ্য পর্যেত্য উবাচ—কথম্ অশকত ঋতে মৎ জীবিতুম্? ইতি। যথা অন্ধাঃ (অন্ধগণ) অপশ্যন্তঃ (দর্শন না করিয়া) প্রাণন্তঃ প্রাণেন, বদন্তঃ (কথা বলিয়া) বাচা (বাগিন্দ্রিয় দ্বারা), শৃণ্বন্তঃ শ্রোত্রেণ, ধ্যায়ন্তঃ মনসা—এবম্ ইতি। প্রবিবেশ হ চক্ষুঃ (৫।১।৮ মন্ত্ৰ দ্ৰঃ)।
সরলার্থ : তখন চক্ষু দেহ হইতে চলিয়া গেল। সে এক বছর প্রবাসে কাটাইয়া ফিরিয়া আসিয়া বলিল, ‘আমার অভাবে তোমরা কি করিয়া বাঁচিয়াছিলে?” (অন্য ইন্দ্রিয়েরা বলিল)— ‘অন্ধ যেমন দেখিতে পায় না, অথচ নিশ্বাস-প্রশ্বাস নিয়া বাঁচিয়া থাকে, বাগিন্দ্রিয় দ্বারা কথা বলে, কর্ণ দ্বারা শোনে, মন দ্বারা চিন্তা করে, তেমনি (আমরা জীবিত ছিলাম)।’ তখন দর্শনেন্দ্রিয় দেহে প্রবেশ করিল।