যস্ত্বাত্মরতিরেব স্যাদাত্মতৃপ্তশ্চ মানবঃ ।
আত্মন্যেব চ সন্ত্তষ্টস্তস্য কার্যং ন বিদ্যতে ॥১৭॥
শ্রীরামকৃষ্ণের বাণী —
গিরিশ (সহাস্যে, ডাক্তারের প্রতি)—আপনি এখানে তিন-চার ঘণ্টা রয়েছেন; কই, রোগীদের চিকিত্সা করতে যাবেন না?
ডাক্তার—আর ডাক্তারী আর রোগী! যে পরমহংস হয়েছে, আমার সব গেল! (সকলের হাস্য)
শ্রীরামকৃষ্ণ—দেখ কর্মনাশা বলে একটি নদী আছে। সে নদীতে ডুব দেওয়া এক মহাবিপদ। কর্মনাশ হয়ে যায়—সে ব্যক্তি আর কোন কর্ম করতে পারে না। (ডাক্তারের ও সকলের হাস্য) (উৎস : শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত)
—
নেংটা তোতাপুরীকে পরমহংসদেব জিজ্ঞাসা করেছিলেন, “তোমার যে অবস্থা তাতে রোজ ধ্যান করার আবশ্যক কী?” তোতাপুরী উত্তরে বলেছিলেন, “ঘটি যদি রোজ রোজ না মাজা যায়, তাহলে কলঙ্ক পড়ে। নিত্য ধ্যান না করলে চিত্ত অশুদ্ধ হয়।” পরমহংসদেব উত্তরে বললেন, “যদি সোনার ঘটি হয়, তাহলে পড়ে না।” অর্থাৎ সচ্চিদানন্দ লাভ করলে আর সাধনের দরকার নেই। (Source: শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ উপদেশ by স্বামী ব্রহ্মানন্দ)