অস্তীত্যেবোপলব্ধব্যস্তত্ত্বভাবেন চোভয়োঃ ।
অস্তীত্যেবোপলব্ধস্য তত্ত্বভাবঃ প্রসীদতি ॥ ১৩ ॥
ব্যাখ্যা—সাধকের প্রথমেই চাই পরমাত্মার অস্তিত্বে নিশ্চিত বিশ্বাস অর্থাৎ ‘তিনি আছেন এবং তাঁকে লাভ করা যায়’ এই বিষয়ে দৃঢ় নিশ্চয়তা, আর এই বিশ্বাসে তাঁকে স্বীকার করে নিয়ে পরমাত্মার তাত্ত্বিক বিচারপূর্বক নিরন্তর ধ্যানস্থ হয়ে তাঁকে লাভ করার চেষ্টা করা ।
যখন সাধক ‘ভগবান আছেন আর তাঁর নিজ অন্তরেই বাস করছেন এবং চেষ্টা করলে তাঁকে পাওয়া যায়’—এই নিশ্চিত বিশ্বাসে তাঁকে স্বীকার করে নিয়ে, তাঁকে পাবার জন্য যোগযুক্ত হয়ে নিরন্তর ধ্যান করেন, তখন পরমপুরুষ ভগবান নিজের অচিন্ত্য দিব্য তাত্ত্বিক স্বরূপ নিয়ে সাধকের অন্তরে আবির্ভূত হন । সাধক তাঁর সেই দিব্য স্বরূপ প্রত্যক্ষ দর্শন করেন ॥ ১৩ ॥
সম্বন্ধ—এখন নিষ্কাম ভাবের মহিমা বর্ণনা করা হচ্ছে—