নৈব বাচা ন মনসা প্রাপ্তুং শক্যো ন চক্ষুষা ।
অস্তীতি ব্রুবতোঽন্যত্র কথং ত দুপলভ্যতে ॥ ১২ ॥
ব্যাখ্যা—পরব্রহ্ম পরমাত্মা বাক্য, চক্ষু আদি বাহ্য কর্মেন্দ্রিয়ের অগোচর, এমন কী মন এবং বুদ্ধিরূপ অন্তঃকরণের দ্বারাও তাঁকে পাওয়া যায় না, কারণ তিনি এদের সীমার বাইরে । কিন্তু ‘তিনি আছেন’ আর যার তাঁকে পাবার তীব্র আকাঙ্ক্ষা আছে সে তাঁকে অবশ্যই পায় । যেহেতু ব্রহ্ম বাক্য, মন এবং ইন্দ্রিয়গণের অতীত, সেইহেতু তাঁর অস্তিত্ব নেই, তিনি অসৎ—এই ধারণায় যারা ব্রহ্মকে অস্বীকার করে অর্থাৎ তাঁর ওপর যাদের দৃঢ় বিশ্বাস নেই, তারা তাঁকে কীভাবে পেতে পারে ? অতএব আগের বলা মন্ত্রানুসারে ইন্দ্রিয়, মন আদি সমস্ত চিত্তবৃত্তিকে যোগাভ্যাসের দ্বারা নিরুদ্ধ করে তাঁকে অবশ্যই পাওয়া যায়, এই দৃঢ় বিশ্বাস যাদের আছে তারা তাঁকে অবশ্যই লাভ করে । অতএব তাঁকে লাভ করার জন্য সাধকের দৃঢ় বিশ্বাস, তীব্র আকাঙ্ক্ষাযুক্ত হয়ে নিরন্তর যোগে মগ্ন থাকা উচিত॥ ১২ ॥