ন সন্দৃশে তিষ্ঠতি রূপমস্য ন চক্ষুষা পশ্যতি কশ্চনৈনম্ ।
হৃদা মনীষা মনসাভিক্লৃপ্তো য এতদ্ বিদুরমৃতাস্তে ভবন্তি ॥ ৯ ॥(১)
(১)প্রায় অনুরূপ মন্ত্র শ্বেতা. উপনিষদের ৪ ।২০-তেও রয়েছে ।
ব্যাখ্যা—এই পরব্রহ্ম পরমেশ্বরের দিব্য স্বরূপ বিষয়াদির মতো প্রত্যক্ষ দৃষ্টিগোচর হয় না । পরমাত্মার দিব্য স্বরূপ প্রাকৃত চর্ম চক্ষু দিয়ে কেউ দেখতে পায় না । যে ভাগ্যবান সাধক নিরন্তর ভক্তি সহকারে তাঁর ধ্যানে নিরত থেকে যখন সেই ধ্যানের গাঢ়তা প্রাপ্ত হন, সেই সময় তাঁর মন-প্রাণ ভগবানের স্বরূপের চিন্তায় নিশ্চল হয়ে পড়ে । সেই নিশ্চল হৃদয়েই ওই সাধকের বিশুদ্ধ বুদ্ধিরূপ দিব্যচক্ষুর সামনে পরমাত্মার দিব্যস্বরূপের আবির্ভাব ঘটে । যিনি এইভাবে পরমপুরুষের দর্শন লাভ করেন, তিনি অমৃতত্ব লাভ করেন, অর্থাৎ নিজেও অমৃতস্বরূপ হয়ে যান॥ ৯ ॥
সম্বন্ধ—যোগধারণার দ্বারা মন এবং ইন্দ্রিয়সমূহকে নিরোধ করে পরমাত্মলাভের আর একটি পথের কথা জানাচ্ছেন—