ন তত্র সূর্যো ভাতি ন চন্দ্রতারকং নেমা বিদ্যুতো ভান্তি কুতোঽয়মগ্নি ।
তমেব ভান্তমনুভাতি সর্বং তস্য ভাসা সর্বমিদং বিভাতি ॥ ১৫ ॥ (১)
(১)মু.উ. ২ ।২ ।১০ এবং শ্বেতা. উ. ৬ ।১৪ তেও এই মন্ত্র উল্লিখিত রয়েছে ।
ব্যাখ্যা—সেই স্বপ্রকাশ পরমানন্দস্বরূপ পরব্রহ্ম পরমেশ্বরের নিকটে এই সূর্য প্রকাশিত হয় না । যেমন সূর্যের কিরণে জোনাকির আলো ম্লান হয়ে যায় তেমনই সূর্যের তেজও সেই অসীম তেজের কাছে লুপ্ত হয়ে যায় । চন্দ্র তারকাদি আর বিদ্যুতও সেখানে প্রকাশিত হতে পারে না তাহলে এই জাগতিক অগ্নির আর কী কথা ! কেননা প্রাকৃত জগতে যা কিছু প্রকাশমান বস্তু রয়েছে সবই ওই পরব্রহ্ম পরমেশ্বরের ক্ষুদ্রাংশ প্রকাশ শক্তির সাহায্যে প্রকাশিত হয় । পরমেশ্বরের জ্যোতির কাছে, যা কিছু জ্যোতিষ্মান বলে মনে হয়—সবই নিষ্প্রভ । মূল কথা এই যে, সম্পূর্ণ বিশ্ব একমাত্র জগদাত্মা পুরুষোত্তমের আলোয় বা তাঁর কণারও কণা মাত্র জ্যোতিতে প্রকাশিত হয়ে থাকে॥ ১৫॥