ন প্রাণেন নাপানেন মর্ত্যো জীবতি কশ্চন ।
ইতরেণ তু জীবন্তি যস্মিন্নেতাবুপাশ্রিতৌ ॥ ৫ ॥
হন্ত ত ইদং প্রবক্ষ্যামি গুহ্যং ব্রহ্ম সনাতনম্ ।
যথা চ মরণং প্রাপ্য আত্মা ভবতি গৌতম ॥ ৬ ॥
ব্যাখ্যা—যমরাজ বলছেন—‘নচিকেতা ! একদিন নিশ্চয়ই এই সকল মনুষ্যাদি প্রাণীর মৃত্যু হবে । আর এই সকল প্রাণী প্রাণ বা অপান—কারো দ্বারাই চিরকাল বেঁচে থাকতে পারবে না । এদের জীবিত রাখার এক ভিন্ন শক্তি আছে, আর তা হচ্ছে জীবাত্মা । প্রাণ এবং অপান—উভয়ই তাঁর আশ্রিত থাকে । জীবাত্মাকে ছেড়ে এরা এক মুহূর্ত থাকতে পারে না । যখন জীবাত্মা শরীর ছেড়ে বেরিয়ে যান তখন সঙ্গে সঙ্গে ইন্দ্রিয়াদিও তাঁকে অনুসরণ করে (গীতা ১৫ । ৮-৯) । মানুষের মৃত্যুর পর এই জীবাত্মার কী স্থিতি, ইনি কোথায় যান, সেখানে কী অবস্থায় থাকেন ; সেইসঙ্গে ওই পরম রহস্যময়, সর্বব্যাপী, সর্বাশ্রয়, সর্বাধীশ, পরব্রহ্ম পরমেশ্বরের স্বরূপ কী—এ সবই আমি তোমাকে জানাচ্ছি ॥৫-৬॥