উত্তিষ্ঠত জাগ্রত প্রাপ্য বরান্নিবোধত ।
ক্ষুরস্য ধারা নিশিতা দুরত্যয়া দুর্গং পথস্তৎকবয়ো বদন্তি ॥ ১৪ ॥
ব্যাখ্যা—হে মানব ! তুমি জন্ম-জন্মান্তর ধরে অজ্ঞান নিদ্রায় নিদ্রিত । পরমাত্মার দয়ায় এখন তুমি এই দুর্লভ মানবদেহ লাভ করেছ । এই দেহ পেয়ে ক্ষণিকের জন্যও বৃথা কালক্ষেপ করো না । তাড়াতাড়ি সাবধান হও । শ্রেষ্ঠ মহাপুরুষের কাছে গিয়ে তাঁর উপদেশ গ্রহণ করে নিজের কল্যাণের পথ আর পরমাত্মার রহস্য জেনে নাও । পরমাত্মতত্ত্ব অতি গূঢ় এবং রহস্যপূর্ণ । তাঁর স্বরূপের জ্ঞান, তাঁর প্রাপ্তির পথ, মহাপুরুষের সাহায্য এবং পরম দয়ালের কৃপা ছাড়া লাভ করা তা কোনোদিনই সম্ভব নয় । সেই পথ এতই দুস্তর যে তীক্ষ্ণধার ছুরির উপর দিয়ে চলার সমতুল । এরূপ দুস্তর পথকে অতিক্রম করার সহজ উপায় একমাত্র তিনিই বলতে পারেন, যিনি স্বয়ং এই পথ অতিক্রম করেছেন ॥ ১৪ ॥
সম্বন্ধ—ব্রহ্ম প্রাপ্তির পথ এত দুস্তর কেন ? এই প্রশ্নের উত্তরে পরমাত্মার স্বরূপ বর্ণনা-প্রসঙ্গে পরমাত্মতত্ত্ব জ্ঞানের ফল জানাচ্ছেন—