যচ্ছেদ্বাঙ্মনসী প্রাজ্ঞস্তদ্ যচ্ছেজ্জ্ঞান আত্মনি ।
জ্ঞানমাত্মনি মহতি নিযচ্ছেৎ তদ্যচ্ছেচ্ছান্ত আত্মনি॥ ১৩ ॥
ব্যাখ্যা—বুদ্ধিমান মানুষের প্রথম কর্তব্য হল বাক্য আদি ইন্দ্রিয়সকলকে বাহ্য বিষয় থেকে সরিয়ে এনে মনে বিলীন করে দেওয়া অর্থাৎ এদের এমন অবস্থানে নিয়ে যেতে হবে যাতে এরা কোনো ক্রিয়া করতে না পারে—মনে কোনো বিষয়ের স্ফুরণ যাতে না হয় । যখন এই সাধনা পরিপক্ব হবে, তখন মনকে জ্ঞানস্বরূপা বুদ্ধিতে লয় করতে হবে অর্থাৎ একমাত্র বিজ্ঞানস্বরূপ নিশ্চয়াত্মিকা বুদ্ধির বৃত্তি ছাড়া মনের আর কোনো পৃথক সত্তা থাকবে না, কোনোরূপ অন্য চিন্তা থাকবে না । যখন এরূপ দৃঢ় স্থিতি অর্জিত হবে তখন ওই জ্ঞানস্বরূপা বুদ্ধিকেও জীবাত্মার শুদ্ধস্বরূপে বিলীন করে দিতে হবে । অর্থাৎ এমন অবস্থায় পৌঁছাতে হবে যেখানে একমাত্র আত্মতত্ত্ব ছাড়া—আর কোনো বস্তুর সত্তা বা স্মৃতি থাকবে না । এরপর স্বয়ং নিজেকেও পূর্বনিশ্চয় অনুসারে শান্ত আত্মারূপ পরব্রহ্ম পুরুষোত্তমের মধ্যে বিলীন করে দিতে হবে ॥ ১৩ ॥
সম্বন্ধ—এইরূপে পরমাত্মার স্বরূপ, তাঁকে প্রাপ্তির মাহাত্ম্য এবং উপায় স্বরূপ সাধন প্রণালীর বর্ণনা করে এখন শ্রুতি সাধককে সাবধান করে বলছেন—