যস্য ব্রহ্ম চ ক্ষত্রং চ উভে ভবত ওদনঃ ।
মৃত্যুর্যোস্যোপসেচনং ক ইত্থা বেদ যত্র সঃ ॥ ২৫ ॥
ব্যাখ্যা—মনুষ্যদেহধারিগণের মধ্যে ধর্মশীল ব্রাহ্মণ এবং ধর্মরক্ষক ক্ষত্রিয়ের শরীরকে পরমাত্মলাভের পক্ষে শ্রেষ্ঠ বলে বিবেচনা করা হয়েছে, কিন্তু তারাও ওই মহাকালস্বরূপ পরমেশ্বরের ভক্ষ্য । তাহলে অন্য সাধারণ মানুষের আর কী কথা ? যিনি সমস্ত কিছুর বিনাশকারী মৃত্যুদেবতা, তিনিও পরমেশ্বর-এর উপসেচন স্বরূপ অর্থাৎ ভোজনের অনুষঙ্গ ব্যঞ্জন তরকারি আদির মতো । এইরূপ ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয় আদি প্রাণিগণের এবং স্বয়ং যমের সংহার কর্তা অথবা আশ্রয়দাতা পরমেশ্বরকে কোন মানুষ তার অনিত্য মন, বুদ্ধি এবং ইন্দ্রিয়াদির সাহায্যে অন্যান্য জ্ঞেয় বস্তুর মতো জানতে পারবে ? কার শক্তি আছে যে, যিনি সকলকে জানেন তাঁকে জানতে পারবে ? অতএব (২৩ সংখ্যক যাঁকে পরমাত্মা নিজে কৃপার পাত্র বিবেচনা করে নিজ তত্ত্ব বোঝাতে চান সেই মহাত্মাই তাঁকে জানতে পারেন । নিজের শক্তিতে তাঁকে কেউই যথার্থরূপে জানতে পারে না কেননা তিনি লৌকিক বস্তুর মতো বুদ্ধির দ্বারা জ্ঞেয় নন ॥ ২৫ ॥