নায়মাত্মা প্রবচনেন লভ্যো ন মেধয়া ন বহুনা শ্রুতেন ।
যমেবৈষ বৃণুতে তেন লভ্যস্তস্যৈষ আত্মা বিবৃণুতে তনূ ্ঁ স্বাম্ ॥ ২৩॥ (১)
(১)এই মন্ত্র মুণ্ডকোপনিষদে (৩ ।২ ।৩)-ও উল্লিখিত রয়েছে ।
ব্যাখ্যা—যে পরমেশ্বরের মহিমার বর্ণনা আমি করছি, তাঁকে সেই ব্যক্তিও লাভ করতে সক্ষম নন যিনি বিভিন্ন শাস্ত্র পড়াশুনা করে গম্ভীর ভাষায় পরমাত্ম তত্ত্বের নানাভাবে বর্ণনা করেন আবার সেই তর্কবাগীশ বুদ্ধিমান ব্যক্তিও তাঁকে লাভ করতে সক্ষম নন যিনি বুদ্ধির গর্বে মত্ত হয়ে তর্কের দ্বারা তাঁকে বোঝবার চেষ্টা করেন কিংবা সেই ব্যক্তি লাভ করতে সক্ষম নন, যিনি পরমাত্মার বিষয়ে বহু কথা শুধু শুনতেই থাকেন । তিনি একমাত্র সেই ব্যক্তির কাছেই লভ্য, যাকে পরমেশ্বর স্বয়ং কৃপা করেন আর তিনি তাকেই কৃপা করেন যে তাঁকে পাবার জন্যে অদম্য ইচ্ছা পোষণ করে । যে ব্যক্তি তাঁকে ছাড়া থাকতে পারে না, যে নিজের বুদ্ধি বা কর্মের উপর ভরসা না করে সর্বদা তাঁর কৃপা-নির্ভর হয়ে অপেক্ষা করে, সেই কৃপা নির্ভর সাধককে পরমাত্মা কৃপা করেন এবং মায়ার পর্দা সরিয়ে তার সামনে নিজ স্বরূপ প্রকট করেন॥ ২৩ ॥
সম্বন্ধ—কার পরমাত্মা লাভ হয় না সে সম্বন্ধে বলা হচ্ছে—