সর্বে বেদা যৎ পদমামনন্তি তপা ্ঁসি সর্বাণি চ যদ্ বদন্তি ।
যদিচ্ছন্তো ব্রহ্মচর্যং চরন্তি তত্তে পদ ্ঁ সংগ্রহেণ ব্রবীম্যোমিত্যেতৎ ॥ ১৫॥
ব্যাখ্যা—পরব্রহ্ম পুরুষোত্তমই মানুষের সর্বশেষ প্রাপ্তব্য বলে যমরাজ পরব্রহ্মের বাচক ওঁ-কারকে প্রতীকস্বরূপে ঘোষণা করে তাঁর স্বরূপ জানাচ্ছেন । তিনি বললেন যে, সকল বেদ বিভিন্ন প্রকারে নানা ছন্দে যাঁর প্রতিপাদন করেন, সর্বপ্রকার তপস্যা এবং বিভিন্ন সাধনার যিনি একমাত্র পরম এবং চরম লক্ষ্য তথা যাঁকে পাওয়ার ইচ্ছায় সাধক নিষ্ঠাপূর্বক ব্রহ্মচর্যের পালন করেন, সেই পুরুষোত্তম ভগবানের পরমতত্ত্ব তোমাকে সংক্ষেপে বলছি । তা হচ্ছে, এক অক্ষরবিশিষ্ট শব্দ যা ওঁকাররূপ । ওঁ-কার হল পরব্রহ্মের প্রতীক ।
সম্বন্ধ—নামহীন হয়েও তিনি অনেক নামে প্রসিদ্ধ । তাঁর সব নামের মধ্যে ওঁকারকেই সর্বশ্রেষ্ঠ জ্ঞান করা হয়েছে । অতএব এখানে নাম এবং নামীকে অভেদ জেনে ‘প্রণব’-কে পরব্রহ্ম পুরুষোত্তমের বাচক শব্দ হিসেবে বর্ণন করে যমরাজ বলছেন—