এতচ্ছ্রুত্বা সম্পরিগৃহ্য মর্ত্যঃ প্রবৃহ্য ধর্ম্যমণুমেতমাপ্য ।
স মোদতে মোদনীয় ্ঁ হি লব্ধা বিবৃত ্ঁ সদ্ম নচিকেতসং মন্যে ॥ ১৩ ॥
ব্যাখ্যা—এই অধ্যাত্ম বিষয়ক ধর্মীয় উপদেশ সর্বাগ্রে একজন অনুভবী জ্ঞানী মহাপুরুষের মুখ থেকে অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে শুনতে হয়, আর শুনে তার মনন করতে হয় । তারপর নির্জনে বসে বিচারপূর্বক আপন বুদ্ধিতে স্থির করতে হয় । এইরকম সাধনার দ্বারা যখন মানুষের আত্মস্বরূপের উপলব্ধি জন্মাবে, তখন তাঁর পরমানন্দ স্বরূপ পরব্রহ্ম পরমাত্মার স্বরূপের সাক্ষাৎকার লাভ হবে । আর সেই আনন্দ সাগরে তিনি সর্বদাই মগ্ন থাকবেন । হে নচিকেতা ! তোমার জন্য সেই পরম ধামের দরজা মুক্ত হয়েছে । তোমাকে সেখানে যেতে বাধা দেবার কারো সাধ্য নেই । তোমাকে আমি ব্রহ্মজ্ঞান লাভের একজন উত্তম অধিকারী বলে মনে করি ॥ ১৩ ॥
সম্বন্ধ—যমরাজের মুখ থেকে পরব্রহ্ম পুরুষোত্তমের মহিমা শুনে আর নিজেকে তার অধিকারী জেনে নচিকেতার মনে পরমতত্ত্বের জিজ্ঞাসা জেগে উঠল । আবার যমরাজের মুখে নিজের প্রশংসা শুনে তিনি লজ্জিতও হলেন । অতএব তিনি যমরাজকে প্রথমেই জিজ্ঞাসা করলেন—