আরভ্য কর্মাণি গুণান্বিতানি ভাবাংশ্চ সর্বান্ বিনিযোজয়েদ্ যঃ ।
তেষামভাবে কৃতকর্মনাশঃ কর্মক্ষয়ে যাতি স তত্ত্বতোঽন্যঃ ॥ ৪ ॥
ব্যাখ্যা—যে কর্মযোগী সত্ত্ব, রজঃ এবং তমঃ—এই ত্রিবিধ গুণব্যাপ্ত নিজ বর্ণ, আশ্রম এবং পরিস্থিতির অনুকূল কর্তব্যকর্ম আরম্ভ করে, সে সমস্তকে এবং নিজ অহং-মমত্ব, আসক্তি আদি ভাব সমুদায় পরব্রহ্মে যুক্ত করেন, তাঁকে সর্বস্ব সমর্পণ করেন, ওই সমর্পণে ওই কর্মের সাথে সাধকের কোনোরূপ সম্বন্ধ না থাকার ফলে পরব্রহ্ম পরমাত্মা তাঁকে কোনোরূপ ফল প্রদান করেন না । এইরূপে ওই কর্মের অভাব হলে পূর্ব কৃতকর্মের সঞ্চিত সংস্কারেরও সর্বতোভাবে নাশ হয় । এইভাবে কর্মনাশ তথা প্রাক্কর্মের সংস্কারের নাশ হলে অচিরেই সাধক পরমাত্মাকে লাভ করেন । কারণ এই জীবাত্মা বস্তুত জড়তত্ত্ব অপেক্ষা সর্বথা ভিন্ন এবং অত্যন্ত বিলক্ষণ । অহং-মমত্ব ইত্যাদির জন্যই ওই জড়সমুদয়ের সাথে জীবাত্মার সম্বন্ধ জন্মায়॥ ৪ ॥
সম্বন্ধ—কর্মযোগের বর্ণনা করে এখন উপাসনারূপ দ্বিতীয় সাধন বলছেন—