অনাদ্যনন্তং কলিলস্য মধ্যে বিশ্বস্য স্রষ্টারমনেকরূপম্ ।
বিশ্বস্যৈকং পরিবেষ্টিতারং জ্ঞাত্বা দেবং মুচ্যতে সর্বপাশৈঃ ॥ ১৩ ॥
ব্যাখ্যা—পূর্বোক্ত মন্ত্রে জীবাত্মাকে নানা যোনিতে সম্বন্ধের সংযোজক বলা হয়েছে যাঁকে, যিনি অন্তর্যামী হয়ে মানবের হৃদয়কন্দরে বিরাজমান তথা নিরাকাররূপে এই নিখিল বিশ্বে পরিব্যাপ্ত, যাঁর আদি বা অন্ত নেই অর্থাৎ যিনি অনাদি-অনন্ত, যিনি উৎপত্তি-বিনাশশূন্য, যিনি বৃদ্ধি ও ক্ষয়-রহিত, যাঁর মধ্যে কদাপি কোনো বিকার পরিলক্ষিত হয় না, সদা নির্বিকার যিনি তথাপি যিনি অখিল জগতের রচনা করে বিভিন্ন রূপে প্রকাশমান হন এবং যিনি সম্পূর্ণ বিশ্বকে আবৃত করে আছেন, সেই সর্বাধার, সর্বশক্তিমান, সকল জীবের সুশাসক, সর্বেশ্বর, পরমপুরুষকে অবহিত হয়ে এই জীবাত্মা সকল বন্ধন থেকে চিরদিনের জন্য মুক্তি লাভ করে॥ ১৩ ॥
সম্বন্ধ—এখন অধ্যায়ের উপসংহারে উপরোক্ত বিষয়টি পুনরায় স্পষ্টীকরণের সাথে পরমাত্মপ্রাপ্তির উপায় বলা হচ্ছে—