নৈনমূর্ধ্বং ন তির্যঞ্চং ন মধ্যে পরিজগ্রভৎ ।
ন তস্য প্রতিমা অস্তি যস্য নাম মহদ্যশঃ ॥ ১৯ ॥
ব্যাখ্যা—পূর্বে কয়েকটি মন্ত্রের মাধ্যমে যাঁর বর্ণনা করা হয়েছে সেই পরম প্রাপ্য পরব্রহ্মকে কোনো মানব উপর থেকে, নীচ থেকে, পাশ বা মধ্যভাগ থেকে পরিগ্রহণ করতে পারে না । তার কারণ তিনি গ্রাহ্যাতীত বস্তু । শাস্ত্রে তাঁকে জানার বা পাওয়ার জন্য যে কথা বলা হয়েছে তার রহস্য একমাত্র তিনিই বুঝবেন যিনি তাঁকে লাভ করেছেন । তিনিও বাণী দ্বারা তাঁর বর্ণনা করতে পারেন না । তার কারণ হল মন এবং বাণী সেখানে পৌঁছাতে পারে না । তিনি সমস্ত পদার্থ থেকে বিলক্ষণ বস্তু । যাঁর নাম ‘মহান যশ’ । যাঁর ‘মহান যশ’ সর্বত্র ব্যাপ্ত, সেই পরাৎপর ব্রহ্মের কোনো উপমা নেই যার দ্বারা তাঁকে জানা যাবে বা জানানো যাবে । তিনি ভিন্ন অন্য কেউ থাকলে বা কোনো বস্তু থাকলে তার সঙ্গে উপমা দেওয়া সম্ভব ! এইজন্য মানুষের ওই পরম প্রাপ্য তত্ত্বকে জানার এবং পাওয়ার অভিলাষ হওয়া উচিত॥ ১৯ ॥