নীলঃ পতঙ্গো হরিতো লোহিতাক্ষস্তড়িদ্গর্ভ ঋতবঃ সমুদ্রাঃ ।
অনাদিমত্ত্বং বিভুত্বেন বর্তসে যতো জাতানি ভুবনানি বিশ্বা ॥ ৪ ॥
ব্যাখ্যা—হে সর্বান্তর্যামিন্ ! তুমিই নীলবর্ণের পতঙ্গ তথা হরিৎ এবং রক্ত বর্ণের চক্ষুষ্মান্ পক্ষী—তোতাপাখি তুমিই বিদ্যুৎযুক্ত মেঘ, বসন্তাদি সমস্ত ঋতু এবং সপ্ত সমুদ্রও তোমারই রূপ । অর্থাৎ এই নানাপ্রকার রূপ বা বর্ণযুক্ত জড়-চেতন পদার্থরূপে তোমাকেই একমাত্র দেখছি । কারণ তোমার থেকেই এই সমস্ত লোক এবং তন্মধ্যে বসবাসকারী জীবকুল সৃষ্ট হয়েছে । ব্যাপকরূপে তুমিই সর্বত্র বিদ্যমান তথা অব্যক্ত এবং জীবরূপ দুটি অনাদি প্রকৃতির (যাকে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় অপরা, পরা বলা হয়েছে) স্বামীও তুমিই । এইজন্য তোমাকেই আমি সর্বরূপে দেখছি॥ ৪ ॥
সম্বন্ধ—পূর্বমন্ত্রে পরব্রহ্ম পরমেশ্বরকে যে দুটি প্রকৃতির স্বামী বলা হয়েছে, ওই অনাদি প্রকৃতিদ্বয় কী কী সেটি আগামী মন্ত্রে জানানো হচ্ছে—