য একোঽবর্ণো বহুধা শক্তিযোগাদ্ বর্ণাননেকান্ নিহিতার্থো দধাতি ।
বি চৈতি চান্তে বিশ্বমাদৌ স দেবঃ স নো বুদ্ধ্যা শুভয়া সংযুনক্তু ॥ ১॥
ব্যাখ্যা—যে পরব্রহ্ম পরমাত্মা নিজ নিরাকার স্বরূপে বর্ণশূন্য হয়েও সৃষ্টির প্রারম্ভে কোনো রহস্যময় প্রয়োজনের জন্য নিজ স্বরূপভূত নানা প্রকার শক্তির মাধ্যমে অনেক রূপ বর্ণ ধারণ করেন তথা অন্তিমে এই সম্পূর্ণ জগৎ যাঁর মধ্যে বিলীন হয় অর্থাৎ যিনি নিজ প্রয়োজন ব্যতীত শুধুমাত্র জীবের কল্যাণহেতু নানাপ্রকার বর্ণময় জগতের রচনা, পালন এবং এবং সংহার করেন এবং বিভিন্ন সময়ে প্রয়োজনানুসারে বহু রূপে আবির্ভূত হন—তিনি পরমদেব, পরমেশ্বর । তিনি বস্তুত এক, অদ্বিতীয় । তিনি ভিন্ন অন্য কিছুই নেই । তিনি আমাদিগকে শুভবুদ্ধিযুক্ত করুন॥ ১ ॥
সম্বন্ধ—পরবর্তী তিনটি মন্ত্রে পরমেশ্বরের জগৎরূপে চিন্তা করতঃ স্তুতির প্রকার বলা হয়েছে—