যদাঽঽত্মতত্ত্বেন তু ব্রহ্মতত্ত্বং দীপোপমেনেহ যুক্তঃ প্রপশ্যেৎ ।
অজং ধ্রুবং সর্বতত্ত্বৈর্বিশুদ্ধং জ্ঞাত্বা দেবং মুচ্যতে সর্বপাশৈঃ ॥ ১৫॥
ব্যাখ্যা—যখন ওই যোগী প্রদীপের ন্যায় নির্মল প্রকাশময় পূর্বোক্ত আত্মতত্ত্ব দ্বারা ব্রহ্মতত্ত্ব উত্তমরূপে প্রত্যক্ষ করেন তখন জন্মাদি সমস্ত বিকারশূন্য, অচল এবং নিশ্চিত তথা সকল তত্ত্ব থেকে অসঙ্গ সর্বতোভাবে বিশুদ্ধ পরমদেব পরমাত্মাকে তত্ত্বত অবগত হয়ে সর্ববিধ বন্ধন থেকে মুক্ত হন ।
এই মন্ত্রে আত্মতত্ত্ব দ্বারা ব্রহ্মতত্ত্ব অবগতির কথা বলে জানানো হয়েছে যে, পরমাত্মার সাক্ষাৎকার মন, বুদ্ধি এবং ইন্দ্রিয়কুল দ্বারা আদৌ সম্ভব নয় । তা মন, বুদ্বিূ ইত্যাদির অগম্য । পরমাত্মতত্ত্ব কেবলমাত্র আত্মতত্ত্ব মাধ্যমেই জানা সম্ভব॥ ১৫ ॥