নীহারধূমার্কানিলানলানাং খদ্যোতবিদ্যুৎস্ফটিকশশীনাম্ ।
এতানি রূপাণি পুরঃসরাণি ব্রহ্মণ্যভিব্যক্তিকরাণি যোগে ॥ ১১ ॥
ব্যাখ্যা—যখন সাধক পরব্রহ্ম পরমাত্মাকে লাভের জন্য ধ্যানযোগের সাধনা আরম্ভ করেন, তখন সাধক কখনো কুজ্ঝটিকার ন্যায় রূপ দেখেন, কখনো বা ধূমের মতো দেখেন, কখনো সূর্যের মতো পরিপূর্ণ প্রকাশ সর্বত্র অবলোকন করেন, কখনো নিশ্চল বায়ুর ন্যায় নিরাকার রূপ অনুভূত হয়, কখনো অগ্নিবৎ তেজ প্রতীত হয়, কখনো জোনাকি পোকার মতো প্রকাশ দেখেন, কখনো বিদু্যতের ন্যায় দীপ্তি দৃষ্টিগোচর হয় । কখনো স্ফটিক মণির ন্যায় উজ্জ্বল রূপের প্রতীতি হয় আবার কখনো চন্দ্রমার মতো শীতল প্রকাশ সর্বত্র প্রসারিত দেখা যায় । এই সমস্ত তথা আরও অনেক দৃশ্য যোগ-সাধনের উন্নতির দ্যোতক । এতে একথা বোঝা যায় যে সাধকের ধ্যান ঠিক পথে চলছে॥ ১১ ॥