এতজ্জ্ঞেয়ং নিত্যমেবাত্মসংস্থং নাতঃ পরং বেদিতব্যং হি কিঞ্চিৎ ।
ভোক্তা ভোগ্যং প্রেরিতারং চ মত্বা সর্বং প্রোক্তং ত্রিবিধং ব্রহ্মমেতৎ ॥ ১২ ॥
ব্যাখ্যা—এই পরমদেব পরব্রহ্ম পুরুষোত্তম নিজেরই হৃদয়ে অন্তর্যামীরূপে অবস্থিত । এঁকে জানার জন্য কোথাও বহির্ভাগে যাওয়ার প্রয়োজন নেই । এঁকে নিরন্তর জানার চেষ্টা করা উচিত । কারণ ইনি ভিন্ন জ্ঞেয়তত্ত্ব আর কিছুই নেই । এই একতত্ত্ব জ্ঞাত হলে সব জানা হয়ে যায় । তিনি সকলের কারণ এবং পরমাধার । মানুষ ভোক্তা (জীবাত্মা), ভোগ্য (জড়বর্গ) এবং এই উভয়ের প্রেরক ঈশ্বরকে জেনে নিলে তার সব জানা হয়ে যায়, আর কোনো কিছু জানার অবশেষ থাকে না । যাঁর এই ত্রিবিধ ভেদ বলা হয়েছে তিনিই ব্রহ্ম অর্থাৎ জড় প্রকৃতি, চেতন আত্মা এবং উভয়ের আধার তথা নিয়ামক পরমাত্মা । এই তিন ভেদ হল ব্রহ্মেরই রূপ॥ ১২ ॥
সম্বন্ধ—উক্ত জ্ঞেয়তত্ত্ব জানার উপায় বলা হচ্ছে—