ইমাঃ সোম্য নদ্যঃ পুরস্তাৎ প্রাচ্যঃ স্যন্দন্তে পশ্চাৎ প্রতীচ্যস্তাঃ সমুদ্রাৎ সমুদ্রমেবাপিযন্তি স সমুদ্র এব ভবতি তা যথা তত্র ন বিদুরিয়মহম্
অস্মীতি। এবমেব খলু সোম্যেমাঃ সর্বাঃ প্রজাঃ সত আগম্য ন বিদুঃ সত আগচ্ছামহ ইতি ॥ ১
অন্বয় : ইমাঃ (এই) সোম্য, নদ্যঃ (নদীসমূহ) পুরস্তাৎ (পূর্বদিকে) প্রাচ্যঃ (প্রাচ্য দেশস্থ) স্যন্দন্তে (প্রবাহিত হয়); পশ্চাৎ (পশ্চিমদিক) প্রতীচ্যঃ (পশ্চিম দেশস্থ) তাঃ (তাহারা) সমুদ্রাৎ (সমুদ্র হইতে ‘উৎপন্ন হইয়া’) সমুদ্রম্ এব (সমুদ্রেই) অপিযন্তি (গমন করে) সঃ (সে) সমুদ্রঃ এব (সমুদ্রই) ভবতি (হয়); তাঃ (তাহারা) যথা তত্ৰ ন বিদুঃ (জানে), ইয়ম্ (এই) অ (আমি) অস্মি (হই) ইতি এবম্ এব খলু সোম্য ইমাঃ সর্বাঃ প্রজাঃ সতঃ (সৎ হইতে) আগম্য (আসিয়া) ন বিদুঃ সতঃ আগচ্ছামহে (আসিয়াছি) ইতি।
সরলার্থ : হে সৌম্য, পূর্বদেশের সব নদী পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়, পশ্চিমদেশের নদী পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়। তাহারা সমুদ্র হইতে উৎপন্ন হইয়া আবার সমুদ্রেই যায় এবং সমুদ্রই হইয়া যায়। তখন তাহারা যেমন জানিতে পারে না যে, ‘আমি এই নদী’, ‘আমি এই নদী’— তেমনি হে সৌম্য, জীবগণ সৎস্বরূপ হইতে আসিয়া জানিতে পারে না যে,— ‘আমরা সৎস্বরূপ হইতে আসিয়াছি’।