অথ হোবাচ জনং শার্করাক্ষ্য কং ত্বমাত্মানমুপাস ইত্যাকাশমে ভগবো রাজনিতি হোবাচৈষ বৈ বহুল আত্মা বৈশ্বানরো যং ত্বম আত্মানম্ উপাসে তস্মাত্ত্বং বহুলোঽসি প্রজসা চ ধনেন চ ॥ ১
৪২৫. অৎস্যন্নং পশ্যসি প্রিয়মত্ত্যন্নং পশ্যতি প্রিয়ং ভবত্যস্য ব্রহ্মবর্চসং কুলে য এতমেবমাত্মানং বৈশ্বানরমুপাস্তে সন্দেহত্ত্বেষ আত্মন ইতি হোবাচ সন্দেহস্তে ব্যশীর্যদ্ যন্মাং নাগমিষ্য ইতি ॥ ২
অন্বয় : অথ হ উবাচ জনম্—শার্করাক্ষ্য, কম্ ত্বম্ আত্মানম্ উপাসে? ইতি। আকাশম্ এব ভগবঃ রাজন্—ইতি হ উবাচ, এষঃ বৈ বহুলঃ (বহুল নামক; বহুল বিস্তৃত, প্রশস্ত; পূর্ণতাপ্রাপ্ত) আত্মা বৈশ্বানরঃ যম্ ত্বম্ আত্মানম্ উপাসে। তস্মাৎ ত্বম্ বহুলঃ (পূর্ণ) অসি প্রজয়া চ (সন্ততি দ্বারা) ধনেন চ (ধন দ্বারা) অৎসি অন্নম্, পশ্যসি প্রিয়ম্। অত্তি অন্নম্ পশ্যতি প্রিয়ম্ ভবতি অস্য ব্রহ্মবচসম্ কুলে, যঃ এতম্ এবম্ আত্মানম্ বৈশ্বানরম্ উপাস্তে। সংদেহঃ (দেহের মধ্যভাগ, মধ্যম শরীর) তু এষঃ আত্মনঃ ইতি হ উবাচ। সংদেহঃ তে (তোমায়) বি-অশীর্যৎ (বিশীর্ণ হইত) যৎ মাম্ ন আগমিষ্যঃ ইতি।
সরলার্থ : (১ম ও ২য় মন্ত্র)—ইহার পর অশ্বপতি জনকে বলিলেন, “হে শার্করাক্ষ্য, তুমি কাহাকে আত্মা বলিয়া উপাসনা কর?’ জন বলিল, ‘ভগবান্ রাজা, আকাশকেই (আমি আত্মা বলিয়া উপাসনা করি)।’ রাজা বলিলেন—’তুমি যাঁহাকে উপাসনা কর, তিনি বহুল নামে বৈশ্বানর আত্মা; সেইজন্য তুমি সন্ততি ও ধরে বহুল (সমৃদ্ধ) হইয়াছ। (সেইজন্য) অন্ন ভোজন করিতেছ, এবং প্রিয়বস্তু দেখিতেছ। যিনি এইরূপে এই বৈশ্বানর আত্মাকে উপাসনা করেন, তিনি অন্নভক্ষণ করেন, প্রিয়বস্তু দেখেন; তাঁহার কুলে ব্ৰহ্মতেজ বিদ্যমান থাকে। (কিন্তু) এই আকাশ আত্মার মধ্যদেহ। যদি তুমি (আত্মতত্ত্ব শিখিবার জন্য) আমার কিট না আসিতে, তবে তোমার শরীরের মধ্যভাগ বিশীর্ণ হইত।’