তদু হ জানশ্রুতিঃ পৌত্রায়ণ উপশুশ্রাব স হ সঞ্জিহান এব ক্ষত্তারমুবাচাঙ্গারে হ সযুগ্বানমিব রৈক্কমাথেতি যো নু কথং সযুগ্ধা রৈক ইতি ॥ ৫
যথা কৃতায়বিজিতায়াধরেয়াঃ সংযন্ত্যেবমেনং সর্বং তদভিসমৈতি যৎ কিঞ্চ প্রজাঃ সাধু কুর্বন্তি যস্তদ্বেদ যৎ স বেদ স ময়ৈতদুক্ত ইতি ॥ ৬
অন্বয় : তৎ (হংসদ্বয়ের কথোপকথন) উ হ জানশ্রুতিঃ পৌত্রায়ণঃ উপশুশ্রাব (শ্রবণ করিয়াছিলেন)। সঃ হ (তিনি) সঞ্জিহানঃ (শয্যা বা নিদ্রা ত্যাগ করিয়া) এব ক্ষত্তারম্ (দ্বাররক্ষককে) উবাচ (বলিলেন)— অঙ্গ (হে বৎস) অরে! হ সযুগ্বানম্ ইব রৈক্বম্ আথ ইতি। যঃ নু কথম্ স-যুগ্বা রৈক্বঃ ইতি (৩য় মন্ত্রের টীকা)। যথা কৃতায়-বিজিতায় অধরেয়াঃ সংযন্তি, এবম্ এনম্ সর্বম্ তৎ অভিসমৈতি— যৎ কিঞ্চ প্রজাঃ সাধু কুর্বন্তি। যঃ তৎ বেদ, যৎ সঃ বেদ, সঃ ময়া এতৎ উক্তঃ ইতি (৪র্থ মন্ত্রের টীকা)।
সরলার্থ : (৫ম ও ৬ষ্ঠ মন্ত্র)— জানশ্রুতি পৌত্রায়ণ উহা শুনিতে পাইলেন। প্রাতে শয্যা হইতে উঠিয়া তিনি দ্বারপালকে বলিলেন— বৎস শোন, দুইট হাঁসের মধ্যে কথা হইতেছিল; এক হাঁস বলিল, ‘তাঁহার বিষয় এমনভাবে বলিতেছে সে যেন শকটবান্ রৈক্ব!’ অপর হাঁস জিজ্ঞাসা করিল, ‘তুমি যে শকটবান্ রৈক্বের কথা বলিলে, সে কে?’ প্রথম হাঁস তাহার উত্তরে বলিল, ‘কৃত নামে পাশা জয় করিলে যেমন নিম্নাঙ্ক পাশাগুলিও তাহার অধীন হয়, তেমনি এসমস্তই লোকে যাহা কিছু সৎ কর্ম করে সেই সবই— রৈক্কের আয়ত্ত হয়। রৈকের মত যিনি জ্ঞানী তাঁহার বিষয়েও এই কথাই বলি।